জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব ও (রংপুর-৪) পীরগাছা-কাউনিয়া আসনের এনসিপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট আখতার হোসেনের ৩০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দোয়া পরিচালনা করেন ইশা শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মো. আবু সুফিয়ান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম সমন্বয়কারী শরীফ উদ্দিন, সদস্য ইসমাইল হোসেন ইমন, জবেদ আলী, সংগঠক রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুর রাহীম, মিরাজুল ইসলাম নিলয় ও রাকিবুল ইসলাম হৃদয় সহ আরও অনেকে। পরে সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।  
আখতার হোসেন রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম মাওলানা আব্দুস সালাম ছিলেন স্থানীয় ভায়ারহাট পিয়ারিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক। মা রোকেয়া বেগম গৃহিণী। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
আখতার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন, যেখানে তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে একক অনশন ধর্মঘট করার সময় প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচনায় আসেন। তিনি সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ন্যায্য নীতিমালার দাবিতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
তিনি ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী ছিলেন, যা প্রাথমিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল, সরকারি চাকরিতে কোটার বিরোধিতা করে এবং হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছিল। 
আখতার হোসেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি এবং সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, যেখান থেকে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম তৈরি হয়েছিল। তারা ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব প্রদান করেন।
প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024