। 

লোহাগাড়া সাতগড়িয়া পাড়ায় তাসনিমুল হাসান  সাজিদ (১৫)  নামে এক ষষ্ঠ শ্রেণীর মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বালককে বলৎকারের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে নিহত শিশুর পিতা মাঈনুদ্দীন আজাদ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মোট দুইজনকে আসামী  করে মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন শিশুটির নানা সাতগড়িয়া পাড়ার আবুল হোসেন। আরেকজন কক্সবাজার জেলার পেকুয়ার নাছির উদ্দীন। সে মসজিদের মুয়াজ্জিন। উল্লেখ্য যে, নিহত সাজিদ আধুনগর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী।  সে বিকাল বেলা প্রতিদিন উল্লেখিত মুয়াজ্জিন নাছির উদ্দীনের নিকট পড়তে যায়। প্রতিদিনের মত ২৪ জুন সাজিদ মুয়াজ্জিন নাছির উদ্দীনের নিকট পড়তে গিয়েছিল। হঠাৎ বিকাল ৪ টার সময় নাছির উদ্দীন নিহতের মা তসলিমা আক্তারকে ফোনে জানান যে সাজিদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে পড়ে আছে।  তবে নিহতের পিতা ও মামলার বাদী আজাদের অভিযোগ " আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে মারা যায় বলে প্রচার করে থানা পুলিশকে না জানিয়ে লাশ দাফন করেছে আসামীরা। আমার ছেলের শরীরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, সাজিদকে যৌন নির্যাতন করার পর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে, আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই, লাশ উত্তোলন করে দোষী ব্যক্তির শাস্তি চাই"। অভিযুক্ত মুয়াজ্জিন নাছির উদ্দীন ঘটনার পর হতে পলাতক রয়েছে। তার সাথে ফোনে কথা বলতে চাইলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লোহাগাড়া চুনতি পুলিশ পাড়ির পুলিশ পরিদর্শক আব্বাস আলাী জানান, আমরা বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠাবো। রিপোর্ট পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন।  এখনো কোন আসামীকে আটক করা হয়নি।



প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024