কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ, ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত চোর সন্দেহে মহেশখালীর ফয়সাল হত্যার ঘটনায় কঠোর তদন্ত ও আইনের শাসনের দাবি লোহাগাড়ায় ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, মাইক্রোবাস জব্দ মধুপুরে ব্যক্তিক্রমী আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে প্রয়াসের স্পেশাল চাইল্ড ডে উদযাপন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিয়ে সেনবাগের ওসি প্রত্যাহার, তদন্ত শুরু নোয়াখালী লায়ন্স ক্লাব সিটির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী! শ্যামনগরে গ্রীণ ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক গঠন মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থার ৩০জন শিক্ষার্থীদের এটিএন বাংলায় মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা "মানবতার আহবান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি" নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন আটক অসহায়দের জন্য বরাদ্দ সেলাই মেশিন পেলেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তানজিদা আক্তার তন্নি চন্দনাইশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রস্তুত প্রার্থীরা বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন চলে গেলেন না ফেরার দেশে ইসলামপুরে আন্তঃজেলা অটোরিকশা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার লাখাইয়ে মেইন সড়কে যত্রতত্র দাঁড় করে রাখা সিএনজি-টমটম, দুর্ভোগ চরমে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্রেইল হিফজ থেকে গৃহহীনদের আবাসন, মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত 'নাজাত ইসলামী মারকাজ' ‎যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে উৎপাদনে ফিরেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

ইতিহাসের পাতায় শুধু ঠাঁই পেতে বসেছে ঠাকুরগাঁও এর মৃৎশিল্প


কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের দিন দিন ব্যবহার কমতে শুরু করেছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে মাটির তৈরি জিনিসের বিকল্প হিসেবে বাজার দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল ও সিরামিক।


ফলে আধুনিক প্রযুক্তির তৈরি জিনিসপত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরি অনেক পণ্য। তবে মাটির তৈরি কিছু জিনিসপত্র এখনো বাজারে পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। শহরে মাটির তৈরি ফুলদানি ও বাহারি মাটির হাঁড়ির এখনো কদর রয়েছে।

বলছিলাম -

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকঁচা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত। তারা তৈরী করেন মাটির হাঁড়ি, পুতুল, কলসি, প্রদীপসহ রকমারি জিনিসপত্র। তবে সময়ের পরিবর্তনের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে বিলুপ্তির পথে এই শিল্প। 


মৃৎশিল্পিরা বলছেন, বর্তমান বাজারে প্লাস্টিক পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মাটির তৈরী জিনিসপত্রের কদর কমে গেছে। ফলে জীবিকা নির্বাহে কষ্ট হচ্ছে। তবে ঐতিহ্যের টানে এখনও এই শিল্পে জড়িত রয়েছেন বলে জানালেন মৃৎশিল্পীরা। 


তবে জেলার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, আধুনিকতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য উৎপাদন করলে এই শিল্প হারাবে না। বরং কদর আরও বাড়বে। 


এদিকে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বলছেন, সরকারি সুযোগসুবিধা পেলে এই শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব। 


আঁকচা পালপাড়া গ্রামের মৃৎশিল্পীরা আশাবাদী, সবার সহযোগিতা পেলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।


উল্লেখ্য,  আঁকচা  ইউনিয়নে পাল সম্প্রদায়ভুক্ত প্রায় ৭০০ পরিবার বাস করেন। এক সময় ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে ঘিরে ছিল বছরব্যাপী অবিরাম কর্মযজ্ঞ। কালের বিবর্তনে দিনে দিনে এর ব্যাপ্তি কমতে শুরু করেছে। এখন কমবেশি ২০০ পরিবার এ পেশায় সম্পৃক্ত রয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

আরও খবর