মোংলায় এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে খুলনার দাকোপ ও মোংলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাঁদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইকরামুল শেখ (৪০) ও মীর আলী (৪৮)। বুধবার মোংলা থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট মোংলার ফেরিঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে ওই নারীকে খুলনার দাকোপ উপজেলার বানীশান্তা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে নিয়ে যান ইকরামুল ও মীর আলী। পরে ইকরামুলের বাড়িতে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে তাঁরা ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিন সকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাক্বিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই নারীকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার ছয় দিন পর, ২০ আগস্ট খুলনার বটিয়াঘাটা থানার কাজীবাছা নদী থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
পুলিশ জানায়, মরদেহের গহনা, কাপড়চোপড় ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে মোংলা থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়। ঘটনার প্রায় দুই মাস পর মঙ্গলবার বিকেলে দাকোপ থেকে ইকরামুল এবং মোংলা থেকে মীর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
ইকরামুল শেখ খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব এলাকার মৃত নুরুল শেখের ছেলে। মীর আলী মোংলার ছাড়াবাড়ী এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা। তাঁর বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দেলুটিয়া গ্রামে।
সংবাদ সম্মেলনে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান, ওসি (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফ উপস্থিত ছিলেন।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, অপরাধ দমন ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে মোংলা থানা পুলিশ পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।
৬ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১০ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১ দিন ১ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে