কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, মৃত্যুর আগপর্যন্ত মানুষের সেবা করাই লক্ষ্য তৃণমূলের আস্থা আর পরিচ্ছন্ন ইমেজে মনোনয়ন সমীকরণে বড় ব্যবধানে এগিয়ে শিক্ষানুরাগী এই ব্যক্তিত্ব।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৩নং বহুলী ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। হাট-বাজার, চা-স্টল থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা কে হচ্ছেন আগামী দিনের কাণ্ডারি। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী মাঠে নেমে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তবে এই বহু প্রার্থীর ভিড়েও সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবহ তৈরি করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এস. এম. রঞ্জু। কেবল রাজনৈতিক পরিচয় নয়, তাঁর দীর্ঘদিনের সততা, ক্লিন ইমেজ ও নিরলস জনসেবার ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে পুরো বহুলী ইউনিয়নে তিনি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে (লাইমলাইটে) উঠে এসেছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনীতি ও সমাজসেবার জগতে এস. এম. রঞ্জু এক পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য নাম। তিনি প্রীতিলতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং ঐতিহ্যবাহী বাগডুমুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় তাঁর সততা ও প্রশাসনিক দক্ষতা সর্বজনবিদিত।
ভোটের মাঠ ও সামাজিক অঙ্গন বিশ্লেষণ করে বহুলীতে এস. এম. রঞ্জুর লাইমলাইটে থাকার পেছনে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী কারণ উঠে এসেছে:
**তৃণমূলের অকৃত্রিম স্নেহ ও ভালোবাসা**
দলের তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মেহনতি মানুষ তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও স্নেহ করেন। একজন পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ হিসেবে দলের প্রতিটি নেতাকর্মী চান তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে দল থেকে মনোনয়ন লাভ করুন।
**ক্লিন ইমেজ ও সততার ব্যাকগ্রাউন্ড**
ক্ষমতার মোহ বা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও সমাজসেবা করে যাচ্ছেন। আর্থিক স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার জায়গায় তাঁর রয়েছে এক উজ্জ্বল ভাবমূর্তি।
**বিপদের দিনে সদা প্রস্তুত**
সাধারণ মানুষের যেকোনো জরুরি সামাজিক ও ব্যক্তিগত সংকটে তিনি সবার আগে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। পদ-পদবি না থাকলেও মানুষের দরজায় পৌঁছাতে তিনি কখনোই দ্বিধা করেননি।
**যোগ্যতায় সর্বাগ্রে**
নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিলেও অভিজ্ঞতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, শিক্ষানুরাগ ও সর্বমহলে সুনজরের দিক থেকে এস. এম. রঞ্জু অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন।
দলীয় নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের মতে, দল যদি একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ও জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়, তবে এস. এম. রঞ্জুই হবেন বহুলী ইউনিয়নের জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মুখ। সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত ও একটি মডেল সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে পারবেন।
নিজের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে এস. এম. রঞ্জু বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করা এবং সততার সঙ্গে বেঁচে থাকাই আমার জীবনের মূল লক্ষ্য। বহুলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা আমাকে যে নিখাদ ভালোবাসা দিয়েছেন, তার মর্যাদা দিতে আমি মৃত্যুর আগপর্যন্ত সততার সঙ্গে তাঁদের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।
**তৃণমূলের জোরালো সমর্থন**
সর্বস্তরের মানুষের সুনজর এবং নিজস্ব সততার শক্তিতে বহুলী ইউনিয়নের ভোটের সমীকরণে এস. এম. রঞ্জু এখন অনন্য এক উচ্চতায় অবস্থান করছেন।
১৫ মিনিট আগে
২১ মিনিট আগে
২৪ মিনিট আগে
২৭ মিনিট আগে
২৯ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে