সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ২৩ নং মানিকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা খাদিজা খাতুনের বিরুদ্ধে একের পর এক ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি, বেঞ্চ বিক্রি, স্বেচ্ছাচারিতা, সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ থেকে শুরু করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে বিদ্যালয়ের ২৩ জন শিক্ষার্থী-অভিভাবক জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, টানা ১৮ বছর একই বিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে খাদিজা খাতুন স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন। তিনি সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেন, এমনকি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সহকর্মীদের ধর্মীয় পরিচয় টেনে অপমান করেন। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী আহত হলে চিকিৎসায় সাহায্য না করে অভিভাবককে টিসি নিয়ে অন্যত্র ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, রাগের বশে বিদ্যালয়ের পানির ট্যাপ ভেঙে ফেলার ঘটনা এবং বিদ্যালয়ের ১০ থেকে ১২টি বেঞ্চ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পাঠদানের ক্ষেত্রেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে নামমাত্র লিখে পড়ানো শেষ করেন এবং বলেন—
“ছাত্রছাত্রীরা ভালো পড়লেও বেতন পাব, না পড়ালেও পাব; বাড়তি কেয়ার করার দরকার নেই।”
অভিভাবকরা মনে করছেন, প্রধান শিক্ষিকার এ ধরনের আচরণ ও কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করছে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা খাদিজা খাতুন বলেন, “এসব মিথ্যা অভিযোগ। আপনারা স্কুলে আসুন, বসে কথা বলবো।”
শ্যামনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ বিষয়ে জানান, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৯ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১ দিন ১২ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
২ দিন ৬ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
২ দিন ৭ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
২ দিন ৯ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
২ দিন ১৬ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
২ দিন ১৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
২ দিন ১৯ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে