শিক্ষকদের বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মাউশির অক্টোবরের ১৪ দিনে রেমিট্যান্স ১৫১ কোটি ডলার ২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীতে চার হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার পত্নীতলায় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত ২০২৬ জাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চৌমুহনী মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মিরসরাইয়ে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ও ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন চৌমুহনীর কলেজ রোডে দুই দিনের নবজাত কন্যা জীবিত উদ্ধার লাখাইয়ে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। দিনাজপুরে দূর্গা মন্দির পরিদর্শনে সেক্টর কমান্ডার , কঠোর নিরাপত্তায় বিজিবি আশাশুনিতে মৎস্যজীবী লীগ নেতা গ্রেপ্তার পীরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধে বসতঘরে আগুন, গবাদিপশু ও টাকা লুটের অভিযোগ আক্কেলপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত সিংড়ায় ৫ টি বক অবমুক্ত করলো ইউএনও লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত শামীম হত্যায় পরিকল্পিত হামলার দাবি পরিবারের জয়পুরহাটে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে যুবক নিহত শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তি কারাগারে পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

১২ দিন নিখোঁজের পর দাফন হল শহীদ আল আমিনের লাশ

ছবি: দেশচিত্র

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার সাভারের বাইপেল রোডে গুলিবৃদ্ধ হয়ে নিহত হন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারী ইউনিয়নের মগর গ্রামের আল আমিন মালত (২৯)। নিহত হওয়ার পর ১২ দিন নিখোঁজ ছিলেন আল আমিন।

গত ৫ আগষ্ট মিছিলে গিয়েছিলেন আল আমিন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালের হিমাগারে শনিবার (১৭ আগষ্ট) তার মরদেহের সন্ধান পান তার পরিবার। 

রবিবার (১৮ আগষ্ট) বাদ আসর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আল আমিন মালত মগর গ্রামের ইসমাইল মীর মালত এর সন্তান। সাভারের বাইপাল রোডে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশুনা করতেন তিনি।

রবিবার সকালে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ শরীয়তপুরে আনা হয়। এরপরে বাদ আসর পঞ্চপল্লী গুরুরাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়

শহীদ আল আমিনের বোন আফলান সিনথিয়া জানান, 'গত ০৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের এক দফা আন্দোলনের সময় মিছিলে গিয়েছিলেন আমার ভাই, এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। আমরা অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাইনি। একটি সুত্রে জানতে পারি যে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হিমাগারে কয়েকটি বেওয়ারিশ লাশ রয়েছে। শনিবার আমরা সেখানে গিয়ে আমার ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করি।

তিনি আরো বলেন, "আমার ভাই রাষ্ট্রের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন। আমরা চাই আমার ভাইকে যেন জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়া হয়"।

শহীদ আল আমিনের ছোট ভাই মোহাম্মাদ সাদও সেদিন একই সঙ্গে মিছিলে গিয়েছিলেন। সেদিনের স্মৃতিচারন করে মোহাম্মাদ সাদ জানান, 'সেদিন সাভারের বাইপেল রোডে আমরা একই সঙ্গে মিছিলে গিয়েছিলাম। মিছিল চলাকালীন সময়ে হঠাৎ চারপাশের কয়েকটি বিল্ডিং এর ছাদ থেকে গুলি বর্ষন শুরু হয়। এসময় আমরা সবাই দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। আমি নিরাপদে যেতে পারলেও আমার ভাই পারেননি। এরপর থেকেই আমার ভাইর আর কোন খোঁজ পাইনি। আমি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীসহ সকল খুনিদের শাস্তি চাই।

আরও খবর