সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে হাতিয়ায় ফারিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরিশালের দক্ষিণ চকবাজার ও ফজলুল হক এভিনিউয়ে বিসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান সাংবাদিক আলিফ হত্যা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তবকপুর বাজার আলোকিত শিশু কন্ঠ পরিষদের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ফুটবলের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার’

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 13-07-2024 02:20:38 pm


দেশের ফুটবল উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


১৩ জুলাই, শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন, আমার ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালও ফুটবল খেলতেন। এখন আমাদের নাতি নাতনীরাও ফুটবল খেলছে। দেশের এই জনপ্রিয় খেলার উন্নতির লক্ষ্যে সব ধরনের সহযোগিতা সরকার অব্যাহত রাখবে।


তিনি আরও বলেন, অনেকে খেলাধুলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন। খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চর্চা গড়ে ওঠে। এতে নিজেকে দেশের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা যায়। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।


খেলাধুলার প্রসারে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন সরকারে এসেছি তখন থেকে আমার প্রচেষ্টা, বাংলাদেশ যেন খেলাধুলায় আরও এগিয়ে যায়, ছেলেমেয়েরা আরও বেশি মনোযোগী হয়। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা উপজেলায় আমরা খেলার মাঠ করে দিচ্ছি, সেটা হলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম।


শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই যেন খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়।


প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা, এটা সবচেয়ে বেশি দরকার। সেজন্য আমরা প্রত্যেক বিভাগে একটি করে বিকেএসপি করে দিচ্ছি।


শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই খেলাধুলা সব দিক থেকে দেশ এগিয়ে যাক। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করেছি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের অর্থনীতিকে উন্নত করেছি, দারিদ্র্যের হার আমরা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে এনেছি, এখন ১৮ দশমিক ৭ ভাগ। অতি দারিদ্র্যের হার ২৫ ভাগের ওপরে ছিল, তা ৫ দশমিক ৬ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাল্লাহ, এইটুকু থাকবে না। বাংলাদেশে কোনো মানুষ অতিদরিদ্র থাকবে না। প্রত্যেককে বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি, লেখাপড়ার বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি, সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।


শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা এগিয়ে যাব। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বিশ্ব দরবারে এগিয়ে যাবে, উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে।


খেলাধুলায় বাংলাদেশ ভালো করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে মেয়েদের বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ছেলেদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা আছে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ভালো খেলোয়াড় উঠে আসছে। তারা শুধু দেশে না, দেশের মাটি পার হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য মর্যাদা বয়ে নিয়ে আসছে। বাংলাদেশকে খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা, এটা তারা করছে।


ফুটবল টুর্নামেন্টটি আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই খেলাধুলার মধ্যে দিয়ে এক সময় উপযুক্ত খেলোয়াড় গড়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলা করে কোনোদিন হয়ত ফুটবলে আমরা চ্যাম্পিয়নও হয়ে যেতে পারি। সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।


টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে ২-০ হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইসলামী ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।


এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

আরও খবর