অনলাইন জুয়ার নেশায় তরুণ প্রজন্ম; পিছিয়ে নেই বালিয়াডাঙ্গী তাড়াইল হাসপাতালের সংকট ও উত্তরণের উপায় এআই লিখছে কবিতা-গল্প, তাহলে লেখকদের ভবিষ্যৎ কী? প্রয়াণ দিবসে জীবনানন্দ স্মরণ ‘স্রোতের’ যে পায় সে পায় - আহসান হাবিব বাঘার "৯০" এর বন্ধুদের তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। চলমান শ্রমিক বিক্ষোভে ৫ শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে: বিজিএমইএ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে: পেট্রোবাংলা দুবলার চরে পাঁচ মাসের শুঁটকি মৌসুম শুরু, ১০ হাজার জেলের কর্মযজ্ঞ পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শেরপুরে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণ বিতরণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ মিরসরাইয়ে জাতীয় যুব দিবসে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন গোলাম মর্তুজা জাতীয় যুব দিবসে মিরসরাইয়ের ফয়সাল আলম পেলেন শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার সম্মাননা ইসলামপুরে যমুনা নদীতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ পীরগাছায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ র‌্যালি, আলোচনা সভা জয়পুরহাটে এসআরবির অভিযানে ইয়াবা ও টাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী মিলন গ্রেপ্তার

৭ শিক্ষকের ৬ শিক্ষার্থী, তারপরও সবাই ফেল

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 13-05-2024 11:31:57 am

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার চৌমহনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা সাত। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে ছয় পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। রবিবার ঘোষিত ফলাফলে সকলেই অকৃতকার্য হয়েছে।


জানা গেছে, উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নে ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর ২০০৩ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ২০২২ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।


শিক্ষক রয়েছেন সাতজন। কর্মচারী রয়েছেন পাঁচজন। বিদ্যালয়ে সর্বশেষ দশম শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থী ছিল। সেই ১১ শিক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ছয় শিক্ষার্থী অংশ নেয়।




বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো মানবিক বিভাগ থেকে সবাই পরীক্ষা দেয়। তাদের মধ্যে চারজন ছাত্রী ও দুজন ছাত্র। ছাত্রদের মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী। পরীক্ষায় কেউ পাস করতে পারেনি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিলকিস বানু জানান, বিদ্যালয়টি একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে প্রতিষ্ঠিত।


এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ হতদরিদ্র। এ কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবারের আয়ের কাজে অংশগ্রহণ করতে হয়। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিতি কম থাকায় লেখাপড়ায় ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি রয়ে যায়। তবে আগামীতে বিদ্যালয়ের পড়ালেখার বিষয়ে নজর দেওয়া হবে।


বিদ্যালয়ের সভাপতি মজিবর রহমান জানান, নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষক সংকট রয়েছে। তার পরও লেখাপড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের চেষ্টার কমতি ছিল না। বিদ্যালয়ের যে দুর্বল দিকগুলো আছে সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও খবর