যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রায়পুরে মন্দিরে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু আদমদীঘিতে কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাকর্মীদের গণসংবধনা তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী

নারায়ণগঞ্জ আদালতে ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হকের পরবর্তী জেরা ২৩ এপ্রিল

 সোনারগাঁ থানায় হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় তার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক এস এম শফিকুল ইসলামকে পরবর্তী জেরা করার দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৩ এপ্রিল। 

১৯ মার্চ দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে তৃতীয় দফায় জেরা করা হয় তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক এস এম শফিকুল ইসলামকে। জেরা শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আরও একদিন জেরার করার জন্য সময় চাইলে আদালত আগামী ২৩ এপ্রিল পরবর্তী জেরার দিন ধার্য করেছেন। সেই সঙ্গে গত ১৯ মার্চ মঙ্গলবার মামুনুল হকের জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে পরে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে। 

জেরা শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই মামলায় ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে  ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন- আমরা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস এম শফিকুল ইসলামকে তৃতীয় দিনের মতো জেরা করেছি। জেরায় তিনি অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। ধর্ষণের আলামত তিনি সংগ্রহ করেননি। তিনি একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। তিনি শুধু বলেছেন জানি না, মনে নেই। এতে বুঝা যায় এটা গোঁজামিলের দায়সারা তদন্ত। এটা একটি মিথ্যা মামলা।


তিনি আরও বলেন, আমরা এই মামলায় মামুনুল হকের জামিন চেয়েছিলাম। যেহেতু তিনি অনেকদিন ধরে কারাগারে আছেন। আমরা মানবিক কারণে জামিন চেয়েছিলাম। আদালত আমাদের কথা শুনেছেন। আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি, আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে জামিন পাব। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, আসামিপক্ষ ইচ্ছা করেই মামলাটির বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার জন্য বারবার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করছেন। এই পর্যন্ত তারা তিন দিন জেরা করেছেন। আরও একদিন সময় চেয়েছেন। সচরাচর একদিনের জেরাই যথেষ্ট হয়ে যায়। রায় তাদের বিপক্ষে যাবে এজন্য তারা দেরি করছেন। এ পর্যন্ত যারা সাক্ষী দিয়েছেন সবাই মামুনুল এই ধর্ষণের সাথে সম্পৃক্ত বলেছেন।


আরও খবর