র‍্যাব-পুলিশের অভিযানে দুই মাদক কারবারীসহ ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল আটক বেগমগঞ্জে স্বাস্থ্য পরিবহন শ্রমিক দিয়ে হামের টিকা প্রদান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি। নড়াইলে দুটি পৃথক অভিযানে ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৩৯৮ বোতল ইসকাফ ও ০৫ বোতল বিদেশি মদ সহ ০২ জন বরিশালে দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র জমকালো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চৌদ্দগ্রাম গৃহবধূ ফাতেমা হত্যার বিচারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যশোর ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে ‘সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি’, বিপুল জয় কখন থামবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অনিয়ম নাগেশ্বরীতে ইয়াবা সম্রাট শাহ-জালাল আটক - সার্বিক সহযোগিতায় বলদীটারি অপরাধ নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত থেকে ৬৩ লক্ষ টাকার ২টি স্বর্ণের বারসহ নারী আটক উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা সব ধর্মের মানুষদের নিরাপদ আবাসস্থল বাংলাদেশ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী কবে কমবে লোডশেডিং, যা জানা গেল এলডিসি উত্তরনে সময় চাইল বাংলাদেশ যশোরে শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত আমরা ব্যর্থ হলে গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইনমন্ত্রী এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক, রনি ও কাফি সেন্ট মার্টিন নিয়ে আগের সিদ্ধান্তেই অটুট সরকার যশোর থেকে বিচার বিভাগ সংস্কারের হুঁশিয়ারি: ‘বিগত সরকারের প্রভাবে স্বকীয়তা হারিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট’ পীরগাছায় জামায়াতের আরও দুটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে স্বর্ণের বারসহ ১ মহিলা আটক

শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ড. ইউনূসকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 01-01-2024 10:54:08 am

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা

জনাকীর্ণ আদালতে আজ এ রায় দেন। শ্রম আইনে এ মামলায় পৃথক দুটি ধারায় আদালত সাজা প্রদান করেন। একটি ধারায় মামলায় ড. ইউনূসসহ চার আসামীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড পাচঁ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের জেল দেয়া হয়েছে। অপর একটি ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের জেল দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়।

রায় ঘোষণার পরপরই আপিল শর্তে জামিন আবেদন করে আসামীপক্ষ। আসামি পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এ আবেদন দাখিল করেন। আদালত আপিল শর্তে আসামীদের একমাসের জামিন দিয়ে আদেশ দেয়।

এডভোকেট খুরশীদ আলম খান বাসসকে বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের এ মামলায় আনীত অভিযোগ তারা প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

রায় ঘোষণার প্রাক্কালে আদালত বলেন, রায়টি ৮৪ পৃষ্ঠার। এরমধ্যে রায়ের সংক্ষিপ্তসার আদালতে উপস্থাপন করা হবে। সে অনুযায়ি রায় ঘোষণা করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় ড. ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তার পক্ষে আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে সিনিয়র এডভোকেট খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর উভয়পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। মামলায় গত ৬ জুন ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন ড. ইউনূস ও অন্যরা। আপিল বিভাগ গত ২০ আগস্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেন। শ্রম আদালতে ২২ আগস্ট এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়, যা শেষ হয় ৯ নভেম্বর। এতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের চারজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন।

মামলায় বলা হয়, শ্রম আইন, ২০০৬ এবং বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক বা কর্মচারীদের শিক্ষানবিশকাল পার হলেও তাদের নিয়োগ স্থায়ী করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক বা কর্মচারীদের মজুরিসহ বাৎসরিক ছুটি দেয়া, ছুটি নগদায়ন ও ছুটির বিপরীতে নগদ অর্থ দেয়া হয় না। গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি এবং লভ্যাংশের ৫ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন অনুযায়ী গঠিত তহবিলে জমা দেয়া হয় না।

অভিযোগের জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ৯ নভেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজন বিবাদী লিখিতভাবে আদালতকে বলেন, গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয় নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী। কারণ, গ্রামীণ টেলিকম যেসব ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলো চুক্তিভিত্তিক। তবে গ্রামীণ টেলিকমের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ী কর্মীর মতো ভবিষ্য তহবিল (প্রভিডেন্ট ফান্ড), আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি), অর্জিত ছুটি ও অবসরকালীন ছুটি দেয়া হয়ে থাকে। মামলায় নিয়োগ স্থায়ী না করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রশাসনিক ও দেওয়ানি মামলার বিষয়। আদালতে দেয়া লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এর লভ্যাংশ বিতরণযোগ্য নয়, সামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

আজ রায়ে আদালত বলেন, আনীত অভিযোগের স্বপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ যে সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্য প্রমান দিয়েছেন তা যথাযথ। মামলায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

আরও খবর


69eb94443aef9-240426100316.webp
কবে কমবে লোডশেডিং, যা জানা গেল

১৭ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে