/ সম্পাদকীয় ও কলাম

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রত্যাশা

সায়েম আহমাদ - রিপোর্টার

আপডেট: 07-04-2021 06:23:10

আজ ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশও ৭ এপ্রিল 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়েই 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' পালিত হয়ে আসছে। ক্ষুধা মেটাতে যেমন খাদ্যের প্রয়োজন, পরিধানের জন্য যেমন বস্ত্রের প্রয়োজন, আশ্রয়ের জন্য যেমন বাসস্থান প্রয়োজন, সমাজ,দেশও জাতির উন্নয়নের জন্য যেমন শিক্ষা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য সেবা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি সচেতনতা সুস্থ থাকার মৌলিক উপকরণ। মানসম্মত খাদ্য, সুপেয় পানি,বায়ু,মাটি,শব্দ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। খাদ্যের মধ্যে থাকা পরজীবী জীবাণু ছাত্রাক বংশ বৃদ্ধি করে মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই খাবার গ্রহণ সচেতন হওয়া ভীষণ জরুরি।সাধারণ মানুষকে সম্ভাব্য সব ধরনের সংক্রামক, অসংক্রামক এবং মৌসুমভিত্তিক রোগসহ সব ধরনের সাধারণ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবায় অনেকখানি সফলতা অর্জন করেছে। সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে পৌঁছে গেছে। যা আমাদের জন্য অনেক বড় সফলতা। সফলতার পাশাপাশি প্রতিবন্ধকতা ও অনিয়ম রয়েছে অনেক। করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের উদাসীনতা এবং প্রাইভেট ক্লিনিকের অনিয়মের কারণে স্বাস্থ্য খাত আজ প্রশ্নবিদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে সংস্করণ করা ভীষণ প্রয়োজন। দেশের জনগণ এখনো স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির জন্য ৬৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে হয় নিজের পকেট থেকে। আমাদের আয়ের বড় অংশ চলে যায় স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির জন্য। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহনের সামান্য সমর্থটুক নেই।দেশের অনেক সরকারি হাসপাতালগুলোতে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহ প্রয়োজনীয় জনবল। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ সমস্যা আরো প্রখর। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং জনবল নিয়োগের জন্য সরকারি উদ্যোগ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। খুব শীগ্রই সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠবে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে এমনটাই প্রত্যাশা করি। 

লেখকঃ হাসান মাহমুদ শুভ

শিক্ষার্থী,এমবিবিএস(১ম বর্ষ)

ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, গাজীপুর 

Tag

Comments (0)

Comments